1. hmamanulislam@gmail.com : News Cox : News Cox
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১২:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কথাবার্তায় সংযমি হওয়া উচিত কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি শিক্ষকদের দ্রুত করোনা টিকা নেয়ার নির্দেশ কক্সবাজারে অধিগ্রহণের চেক নিয়ে অভিনব প্রতারণা রাহামত উল্লাহর জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা সহ শক্তিশালী সিন্ডিকেট চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে বিএনপি দলীয় প্রতীক থাকছে না ইউপি নির্বাচনে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক মদীনায় সোফা কারখানায় আগুন লেগে কক্সবাজারের ৪জনসহ ৬জনের মৃত্যু কক্সবাজারে ১৪ লাখ ইয়াবা ও পৌনে ২ কোটি টাকার পর রক্ষিত আরো ৩ লাখ ৭৫ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ইসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন ১০১ আইনজীবীর

কক্সবাজারে অধিগ্রহণের চেক নিয়ে অভিনব প্রতারণা রাহামত উল্লাহর জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা সহ শক্তিশালী সিন্ডিকেট

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
কক্সবাজার এল ও অফিসের চেক নিয়া অংশীদারদের সম্পূর্ণ টাকা মোট৩৬,৮৪,৪৬০টাকা নিয়ে লাপাত্তা রাহামত উল্লাহ।পথে পথে ঘুরছেন ভুক্তভোগীরা।বিশ্বাস করে প্রতারক রাহামত উল্লাহ (ছবিতে লাল বৃত্ত যুক্ত) পিতা মৃত আফোরাজ উদ্দিন প্রঃ ওয়াজ উদ্দিন সাং- বালুরচর ডুল হাজারা,চকরিয়া কে আম-মোক্তার দেন।ঐ আম-মোক্তার মুলে রাহামত উল্লাহ কক্সবাজার এল ও অফিস থেকে ৪৮লক্ষ৮৫ হাজার ৯শ সাতচল্লিশ টাকার চেক গ্রহন করেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারী বিকালে সোনালী ব্যাংকে এল ও অফিসের চেক জমা করা হয়। প্রতারক রাহামত উল্লাহ সোনালী ব্যাংক থেকে তার একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে নেন।প্রথমে ওয়ান ব্যাংকের ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা করে চার জনকে চারটি চেক দেন। পরে আবার চার জনকে একত্র ২২ লক্ষ টাকার রুপালী ব্যাংক কক্সবাজার বাজারঘাটা শাখার ১টি চেক দেন।ঐ চেক প্রতারক রাহামত উল্লাহ কক্সবাজারস্থ হোটেল সী বার্ডের একটি কক্ষে ওয়ারিশদের নিয়ে গিয়ে প্রদান করেন।সেখানে রহমত উল্লার সাথে ছিলেন কক্সবাজারর টেকপাড়ার বাসিন্দা সাবেক কমিশনার সিরাজ,ঝাওতলাস্থ আবচার কামাল,দালাল মনির,পিএম খালীর দালাল আবছার, সহ অনেকে।২২লক্ষ টাকার চেকটি কমিশনার সিরাজ প্রথমে ওয়ারিশ লজিমা বেগমকে দেন। খানিক্ষণ পরে ঐ চেকটি কমিশনার সিরাজ ব্যাংকে জমার কথা বলে আবার নিয়ে ফেলেন।কমিশনার সিরাজ তাদেরকে নিয়ে রুপালী ব্যাংকের উপরের তলায় হোটেল সী হার্টে রোম ভাড়া করে দেন।পরে সাবেক কমিশনার সিরাজের কাছে ওয়ারিসগন চেক ফেরত চাইলে তিনি চেক ব্যাংকে জমা দিয়ে ফেলেছেন বলে জানান।ভুক্তভোগীরা সে কথা বিশ্বাস না করাই তাদেরকে ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে কয়েকজন অফিসারের সাথে কথা বলাই দেওয়া হয়।তারা ও সিরাজ চেক জমা করছেন বলে ওয়ারিশদের জানান। ১৪ফেব্রুয়ারী সকালে ভুক্তভোগীদের নিয়ে সাবেক কমিশনার সিরাজ রুপালী ব্যাংকে যায়। চিক ছিল জন্নাতুল ফেরদাউসের নামে তাই তিনি ও অপরাপর অংশীদারগন সাথে ছিল।ভূক্তভোগীরা ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন যে ঐ চেকের নং দিয়ে রামু থানায় ১৩ ফেরুয়ারী একটি সাধারন ডায়েরি করা হয়েছে। যার নং ৫০৫/২১। তাছাড়া ব্যাংক থেকে তাদেরকে ডিসঅনার সার্টিফিকেট দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।প্রতারকদের কবল থেকে বাচার জন্য কক্সবাজারের স্বনামধন্য প্রত্রিকা দৈনিক সৈকত পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে নিয়ে গিয়েও কুলকিনারা করতে পারিনি।প্রতিবেদক কক্সবাজার বাজার ঘাটা রুপালী ব্যাংকের ম্যানেজার এহেসান উদ্দিনের সাথে কথা বলেন,তিনি জানান তাদেরকে একাউন্টে টাকা নাই মর্মে সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে।এদিকে ১৪ ফেব্রুয়ায়ী রাত আটটায় মমতাময়ী ব্যাংক ম্যানেজার এহেসান উদ্দিন, মহেশখালীর জাফর,মহেশখালী হোয়ানকের জালাল সহ কয়েকজন ওয়ারিশ নিয়া রামু থানায় করা ডায়েরি সঠিক কিনা তদন্তে যান। চেক ডিসঅনার করার পর রামু থানায় গিয়ে ডায়েরি তদন্ত করা আমাদের কাছে রহস্যজনক মনে হয়।৭ফেব্রুয়ারী হতে ভুক্তভোগীরা রুপালী ব্যাংকের উপরের তলায় ছিল ১৫ তারিখ পর্যন্ত ছিল।সে সুবাধে প্রতিদিন তারা ব্যাংকে কয়েক বার যাতায়ত করছে।সাবেক কমিশনার সিরাজ ব্যাংকের দারোয়ান ও কয়েকজন অফিসারের সাথে তাদের পরিচয় করিয়ে দেন যেন ব্যাংকে থেকে বের করে না দেন।এমন কি তারা কোন কোন দিন রাত ৮/৯টা পর্যন্ত রূপালী ব্যাংকের ভেতর ছিল।চেকে টাকা পাওয়ার আশায় তারা এ পর্যন্ত ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছে।টাকা না পেয়ে তারা প্রশাসনের কাছ ধর্ণা দিচ্ছে।গত ১৫ ফেব্রুয়ারী চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন এ পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি।ভুক্তভোগীরা এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার,ও দুদুকে মামলার প্রস্থুতি নিচ্ছে।প্রতারকদের কয়েক জনের মোবাইলে কল করে ঘটনার বিষয়ে জানার চেষ্ঠা করা হয়েছে সংযোগ পাওয়া যায় নি।

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2020, NewsCox. All rights reserved.
NewsCox developed by 5dollargraphics