1. hmamanulislam@gmail.com : News Cox : News Cox
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার আদর্শ মহিলা কামিল মাদ্রাসায় শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপন কক্সবাজারে ২১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি কক্সবাজার শহর ৫নং ওয়ার্ড কৃষকলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা তাঁর পিতার মতোই গণমানুষের নেতা : রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘে সার্বজনীন ও সাশ্রয়ী টিকার নিশ্চয়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী রামুর জোয়ারিয়ানালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দোয়া প্রত্যাশি রোজি অনলাইন প্রেসক্লাব কক্সবাজার এর কমিটি গঠন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইক আইডি খুলে সম্মান হানীর চেষ্ঠা শিক্ষিকার রামু খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত

জাতিসংঘে সার্বজনীন ও সাশ্রয়ী টিকার নিশ্চয়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে জাতিসংঘে সার্বজনীন ও সাশ্রয়ী টিকার নিশ্চয়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ন্যায়সঙ্গত ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৬তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ আলোচনায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দুঃখজনক হলেও এই মহামারি আরো বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে বলে মনে হচ্ছে। সেজন্য এ অভিন্ন শত্রুকে মোকাবেলা করার জন্য অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আমাদের অনেক বেশি নতুন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈশ্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন।ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়ছে জানিয়ে কভিডমুক্ত একটি বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে টিকার সর্বজনীন ও সাশ্রয়ী মূল্যে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত বছর এ মহতী অধিবেশনে আমি কভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। বিশ্বনেতাদের অনেকে তখন এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেছিলেন। সে আবেদনে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং আমরা ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়তে দেখেছি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, এ যাবৎ উৎপাদিত টিকার ৮৪ শতাংশ উচ্চ ও উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষের কাছে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আয়ের দেশগুলো ১ শতাশেরও কম টিকা পেয়েছে।
তিনি বলেন, জরুরিভিত্তিতে এ টিকা বৈষম্য দূর করতে হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা থেকে দূরে রেখে কখনোই টেকসই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। আমরা পুরোপুরি নিরাপদও থাকতে পারব না।প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই আমি আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। অবিলম্বে টিকা প্রযুক্তি হস্তান্তর টিকার সমতা নিশ্চিত করার একটি উপায় হতে পারে। প্রযুক্তি সহায়তা ও মেধাস্বত্ত্বে ছাড় পেলে বাংলাদেশও ব্যাপক পরিমাণে টিকা তৈরি করতে সক্ষম।দ্বিতীয় প্রস্তাবে তিনি বলেন, এ মহামারি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে অধিকমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জলবায়ু পরিবর্তনের ধ্বংসাত্মক প্রভাব কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে। ধনী অথবা দরিদ্র-কোনো দেশই এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে নিরাপদ নয়। তাই আমি ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোকে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নিঃসরণের জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং টেকসই অভিযোজনের জন্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তির অবাধ হস্তান্তরের আহ্বান জানাচ্ছি।তৃতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারির প্রকোপে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা চরমভাবে বিপর্যস্ত। তিনি বলেন, ডিজিটাল সরঞ্জামাদি ও সেবা, ইন্টারনেটের সুযোগ-সুবিধার সহজলভ্যতা ও শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ করতে হবে। এ জন্য আমরা জাতিসংঘকে অংশীদারিত্ব ও প্রয়োজনীয় সম্পদ নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানাই।চতুর্থ প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মহামারি অনেক দেশের উত্তরণের আকাঙ্খাকে বিপন্ন করেছে। স্বল্পোন্নত দেশের টেকসই উত্তরণ ত্বরান্বিত করার জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আমরা প্রণোদনাভিত্তিক উত্তরণ কাঠামো প্রণয়নে আরো সহায়তা আশা করি।পঞ্চম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামারিকালে প্রবাসীরা অপরিহার্য কর্মী হিসেবে স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জরুরি সেবাখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাঁরাও সম্মুখসারির যোদ্ধা। তবুও তাঁদের অনেকে চাকরিচ্যুতি, বেতন কর্তন, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক সেবার সহজলভ্যতার অভাব ও বাধ্যতামূলক প্রত্যাবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সঙ্কটকালে অভিবাসীগ্রহণকারী দেশগুলোকে অভিবাসীদের সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করার এবং তাঁদের কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং কল্যাণকে নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।ষষ্ঠ প্রস্তাবে প্রদানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট এবার পঞ্চম বছরে পড়ল। কিন্তু এখন পর্যন্ত বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের একজনকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। মিয়ানমারে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা ও অব্যাহত সহযোগিতা আশা করি। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে অবশ্যই তার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

Share this Post in Your Social Media

এই ধরনের আরও খবর
Copyright © 2021, NewsCox. All rights reserved.
NewsCox developed by 5dollargraphics